অর্থনৈতিক মুক্তি

অর্থনৈতিক মুক্তিতে মানবতার মুক্তি।বর্তমান দেশে যত সংঘর্ষ তার মূলে তাকালে দেখতে পাই অর্থনৈতিক স্বার্থ। এ স্বার্থে
মানবতাকে বিপন্ন করতে এতটুকও কার্পণ্য করে না স্বার্থান্ধ মানুষ গুলো। বর্তমান সামাজিক কাঠামো পরিবর্তন ও
অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় না। গনতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে প্রকৃত অর্থনৈতিক মুক্তি।
ভোট দেয়ার নাম গনতন্ত্র নয়। অর্থনৈতিক মুক্তি পেতে হলে সামাজিক কাঠামোর গুনগত পরিবর্তন ও নেতৃত্বে
পরিবর্তন দরকার । আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছিল যে সুখি সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য, সেটা আজও করা সম্ভব
হয়নি। আর সেটা সম্ভব হয়নি লুটেরা ধনীক শ্রেনীর কারনে। আর অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া কোন দিনই
মানবাধিকার আসবে না। স্বাধীনতার পরপরই যেন হত্যা ও লুটের মহোৎসব শুরু হয়ে গেল। হত্যার শিকার
থেকে বাদ পড়েনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারাও। যে মুক্তিযোদ্ধাদের আকাক্মখা ছিল দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
মূলত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই ছিল সুশাসন প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বৈরশাসন ও অত্যাচার-নির্যাতনে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয় এই
সুশাসন। সে সময়কার অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা কবির ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে এইভাবে :
‘‘ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা-
 রক্ত দিয়ে পেলাম শালার আজব স্বাধীনতা।’’
তাই মানবতার মুক্তির জন্য ইনভেটিভ ও সার্বজনীন অর্থনৈতিক মডেল আজ সময়ের দাবি। এ বিষয়ে
চিন্তাবিদদের অগ্রণী ভূমিকা কামনা করি।